ভিনিসিউসের জোড়া পেনাল্টিতে সোসিয়েদাদকে উড়িয়ে দিল রিয়াল
শিরোপা প্রতিযোগিতায় আরেকবার শক্ত অবস্থানের জানান দিল রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে দাপুটে ফুটবল খেলেই তারা দেখিয়ে দিল—তারকা খেলোয়াড় অনুপস্থিত থাকলেও দলীয় শক্তিতে কোনো ঘাটতি পড়ে না।
কিলিয়ান এমবাপ্পে দলে না থাকলেও আক্রমণে তাঁর অনুপস্থিতি টের পেতে হয়নি। ভিনিসিউস জুনিয়রের জোড়া পেনাল্টি, গন্সালো গার্সিয়ার নিখুঁত সমাপ্তি আর ফেদেরিকো ভালভের্দের দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ ব্যবধানে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার রাতে সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে পাওয়া এ জয়ে লা লিগার শীর্ষে উঠে এসেছে কার্লো আনচেলোত্তির দল।
২৬ ম্যাচ শেষে রিয়ালের ঝুলিতে এখন ৬০ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকরা। পঞ্চম মিনিটেই লিড নেয় তারা। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের চমৎকার ক্রস থেকে দারুণ দক্ষতায় বলের গতিপথ পাল্টে জালে পাঠান গার্সিয়া। গোলরক্ষক ঝাঁপ দিলেও বল ঠেকাতে পারেননি।
২১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় সোসিয়েদাদ। ডি-বক্সে ডিন হাউসেনের ফাউলের কারণে স্পট কিক পায় অতিথিরা, এবং মিকেল ওইয়ারসাবাল সেটি কাজে লাগান। তবে ব্যবধান সমান থাকার আনন্দ বেশিক্ষণ টেকেনি। চার মিনিটের মধ্যেই পাল্টা পেনাল্টি পেয়ে রিয়ালকে আবার এগিয়ে দেন ভিনিসিউস।
৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেদেরিকো ভালভের্দে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো শট জালে জড়িয়ে যায়। বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরেকটি পেনাল্টি পায় তারা, এবং ৪৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্কোরলাইন ৪-১ করেন ভিনিসিউস।
৬০ মিনিটে মাঠে নামেন অধিনায়ক দানি কারভাহাল। এরপর সোসিয়েদাদ আক্রমণে কিছুটা তৎপরতা দেখালেও গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দুটি অসাধারণ সেভ করে দলকে স্বস্তি এনে দেন।
৭০ মিনিটে গার্সিয়া নিজের দ্বিতীয় গোলের সুযোগ তৈরি করলেও গোললাইন থেকে প্রতিহত হন। ৮৪ মিনিটে সোসিয়েদাদের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ম্যাচের শেষদিকে আরদা গুলারের ফ্রি-কিক থেকে হেডে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে হ্যাটট্রিকের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হন ভিনিসিউস।
সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী ও প্রভাবশালী জয়ে শিরোপা দৌড়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল রিয়াল মাদ্রিদ।



















